নেত্রকোণার দর্শনীয় স্থান

বিরিশিরি
দুর্গাপুর
বিরিশিরি চিনামাটির পাহাড়
হাওর
খালিয়াজুরী · মদন · মোহনগঞ্জ
হাওরের অসীম জলরাশি
সোমেশ্বরী
দুর্গাপুর
সোমেশ্বরী নদী
রোয়াইলবাড়ি
কেন্দুয়া
রোয়াইলবাড়ি দুর্গ
পাঁচগাঁও
কলমাকান্দা
পাঁচগাঁও ও গারো পাহাড়

নেত্রকোণা বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী একটি জেলা। এই জেলা শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি এর রয়েছে প্রাকৃতিক রূপের অনন্য সৌন্দর্য। এখানে রয়েছে বিজয়পুরের চিনামাটির পাহাড়; বর্ষায় এখানে একদিকে যেমন চন্দ্রডিঙা পাহাড়ে চলে মেঘেদের খেলা, অন্যদিকে হাওর ও নদীগুলো নীল জলে টইটুম্বর হয়ে ওঠে। হেমন্তে ধান কাটার উৎসবে গ্রামে গ্রামে বয়ে যায় খুশির জোয়ার আর পিঠা-পুলির আমেজ। বসন্তে বকুলতলার উৎসব কিংবা বৈশাখে গ্রামীণ মেলা ও সাপ্তাহিক হাট সব মিলিয়ে এটি এক প্রাণবন্ত জনপদ।

প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের স্বাক্ষর বয়ে বেড়াচ্ছে কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ি। অন্যদিকে মদনপুরের শাহ সুলতান কমরুদ্দিন রুমি (রহ:)-এর মাজার এই অঞ্চলের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের প্রতীক। নদী, পাহাড় আর হাওরের মিতালীর মতোই এ অঞ্চলের জনজীবনেও রয়েছে বৈচিত্র্য। হাজং ও গারোসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাসের ফলে এটি ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিলনভূমি, যার পরিচয় তুলে ধরে বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি। এছাড়া অধিকার আদায়ের সংগ্রামের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাশমণি স্মৃতিসৌধ।

এই সমৃদ্ধ নেত্রকোণার খাবারেও রয়েছে ভিন্নতা; নেত্রকোণার বিখ্যাত বালিশ মিষ্টি কিংবা হাওরের টাটকা মাছের স্বাদ মুখে লেগে থাকবে বহু বছর। দেখা-অদেখা এবং জানা-অজানার মিশেলে ঘেরা সেসব স্থান আর গল্পের খোঁজে ভ্রমণ করুন নৈসর্গিক নেত্রকোণায়।

অপরূপ নেত্রকোণা

সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র

বিরিশিরি কালচারাল একাডেমী
দুর্গাপুর
বিরিশিরি কালচারাল একাডেমী

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃহত্তর ময়মনসিংহে বসবাসরত গারো, হাজং, কোচ, বানাই, ডালু,মান্দাই এসব নৃ-গোষ্ঠীর রয়েছে নিজস্ব ভাষা, সামাজিক প্রথা, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভাস, নৃত্য-গীত, লোকাচার তথা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। এ প্রতিষ্ঠানটি অত্রাঞ্চলের সেসব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীয়দের বিলীয়মান সংস্কৃতি সংরক্ষণ, লালন, চর্চা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নসাধন সহ বৃহত্তর জাতীয় সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে সেগুলোর বিকাশকে সাবলীল, সহজীকরণ ও সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

শৈলজারঞ্জন মজুমদার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
নেত্রকোণা সদর
শৈলজারঞ্জন মজুমদার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ শৈলজারঞ্জন মজুমদার স্মরণে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে নির্মাণ হয়েছে শৈলজারঞ্জন মজুমদার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। শৈলজারঞ্জন মজুমদার ১৯০০ সালের ১৯ জুলাই মোহনগঞ্জ থানার বাহাম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈলজারঞ্জন মজুমদার বিশ্বভারতীর শিক্ষক হন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকেই তিনি রবীন্দ্র সংগীতের দীক্ষা নেন। ১৯৩৯ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে সংগীত ভাবনার প্রথম অধ্যক্ষ নিয়োগ দেন।

কবিতাকুঞ্জ
নেত্রকোণা সদর
কবিতাকুঞ্জ

৯০টি দেশের কালজয়ী কবিদের রচিত প্রায় ২ হাজার কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন সময়ে রচিত কাব্যসম্পদ নিয়ে তুলনামূলক গবেষণার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত কবি নির্মলেন্দু গুণের প্রতিষ্ঠিত ‘কবিতাকুঞ্জ’ নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। নেত্রকোণা সদর উপজেলার মালনী এলাকার মগড়ার তীরে অবস্থিত এই কবিতাগৃহটি।

নেত্রকোণা ভ্রমণকারীদের অভিজ্ঞতা

"

পাঁচগাঁও এর সবুজ পাহাড়ের সেই বৃষ্টি ভেজা দিন, মেঘগুলো পাহাড়ের গাঁয়ে মিশে ছিলো। চোখে ভেসে ওঠে সেই দিন

জাফরুল ইসলাম
লেখক, জামালপুর
"

নেত্রকোণার বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি উপজাতিদের জীবনধারা তুলে ধরেছে, দুর্গাপুর ভ্রমণে অবশ্যই এই স্পটটি ভাবনায় রাখা উচিত।

কামরুল ইসলাম
ভ্রমণকারী, ঢাকা
"

গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরীর স্বচ্ছ জলে ট্রলার থেকে পা ডুবিয়ে বসেছিলাম। পুরো শরীরে সেই প্রশান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছিলো।

মাহমুদ হাসান
আলোকচিত্রী, ময়মনসিংহ
"

কিছুদিন আগে মদনপুর মাজারের ওরস এ গিয়েছিলাম, ওরসে অনেক লোক আসে, অনেক দোকানের মেলা বসে মাজারে জিকির হয় ও শিরনি বিলানো হয়।

আরিফ রহমান
টাঙ্গাইল
"

দুর্গাপুরের বিজয়পুর চিনামাটি উত্তোলনের জন্য মাটি কেটে রাখা সেই অংশটি দেখতে অসাধারণ, ছবিও চমৎকার আসে কিছু কিছু জায়গায় পানি জমে আছে সে স্থানগুলোও এর সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ধ্রুব দত্ত
মালনী, নেত্রকোণা।
"

উচিতপুর হাওরে আমরা বিকেলে বন্ধুদের সাথে গিয়েছিলাম, হাওরের পানিতে রাস্তা ঢুবে গেছে চারদিক অথৈ জল সূর্য ডোবার সেই মুহূর্ত এই পরিবেশকে আরো উপভোগ্য করে তুলেছিল।

তৌহিদ
শ্যামগঞ্জ
নেত্রকোণা ভ্রমণের গল্প, ছবি আর ট্যুর গাইড শেয়ার করুন

আপনার অভিজ্ঞতা, ছবি, ভিডিও তথ্যে সমৃদ্ধ হবে সুবর্ননেত্র

জমা দিন
নবীনতর পূর্বতন