৩ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার

জানি নেত্রকোণাকে গভীরে

ঝরনার জল গড়ানো মেঘে ঢাকা সবুজ গাঁওগাঁও, সাদা চিনামাটির বিরিশিরি, সুনীল জলরাশির হাওর ঘেরা খালিয়াজুড়ি-মদন কিংবা কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ির প্রত্নতত্ত্ব। বয়ে চলা মগড়া, কংস ও সোমেশ্বরীর উর্বর পলির সাথে মিশে থাকা লোকসাহিত্য, সংগীত আর সংগ্রাম। ভিন্ন ধর্মে, ভিন্ন জাতিতে, সোনার মানুষে সমৃদ্ধ নেত্রকোণাকে তুলে ধরার প্রয়াস সুবর্ণনেত্রে

নেত্রকোণা সেতু
৪র্থ শতাব্দী
গুপ্ত সম্রাটদের অধীনে এই অঞ্চল কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল
১৪৯৩-১৫১৯
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনামলে সমগ্র ময়মনসিংহ মুসলিম রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত
১৮৮২
১৮৮২ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে মহকুমার কার্য শুরু
১৯৮৪
নেত্রকোণা আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা হিসেবে ঘোষিত হয়
নেত্রকোণা জেলা ১০টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা, ৮৬টি ইউনিয়ন এবং ২,২৮১টি গ্রাম নিয়ে গঠিত
পূর্বধলা
পূর্বধলা উপজেলা
আয়তন ৩০৮.০৪ বর্গ কি.মি. , ১১টি ইউনিয়ন
হোগলাঘাগড়াজারিয়াধলামূলগাঁপূর্বধলাআগিয়াবিশকাকূনীখলিশাউড়নারান্দিয়াগোহালাকান্দাবৈরাটি
সুসঙ্গ দুর্গাপুর ও নেত্রকোণা সদর থানার অংশ থেকে ১৯১৭ সালে পূর্বধলা একটি পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তরিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি দুর্গাপুর, ধোবাউড়া ও গৌরীপুরের মাঝে অবস্থিত। ব্রিটিশ শাসনামলে নির্মিত বড়বাড়ি সংলগ্ন ঐতিহাসিক মসজিদটি এখানে মুঘল ও ব্রিটিশ স্থাপত্যের সংমিশ্রণ প্রকাশ করে। রাজধলা বিল এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম উৎস। যদিও প্রশাসনিকভাবে এটি দীর্ঘ সময় অন্য থানার অধীনে ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে স্বতন্ত্র থানা ও উপজেলার মর্যাদা পেয়ে স্থানীয় উন্নয়নে গতিশীলতা আসে। শান্ত ও প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এই উপজেলাটি কৃষি ও স্থানীয় গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ বহন করে।
দুর্গাপুর
দুর্গাপুর উপজেলা
আয়তন ২৭৯.২৮ বর্গ কি.মি. , ৭টি ইউনিয়ন
কুল্লাগড়াদুর্গাপুরচণ্ডিগড়বিরিশিরিবাকলজোড়াকাকৈরগড়াগাঁওকান্দিয়া
সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত দুর্গাপুর বা সুসঙ্গ দুর্গাপুর ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ১২৮০ খ্রিষ্টাব্দে সোমেশ্বর পাঠকের হাত ধরে এই সামন্ততান্ত্রিক রাজ্যের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ব্রিটিশ আমলে হাজং বিদ্রোহ ও টঙ্ক আন্দোলনের মতো ঐতিহাসিক সংগ্রামের সাক্ষী এই জনপদ। এখানকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি, বিজয়পুরের সাদামাটি পাহাড় এবং বিরিশিরি সোমেশ্বরী নদী পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই উপজেলাটি সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। এছাড়া রঘুনাথ সিংহের আমলের দশভূজা মন্দিরসহ বহু প্রাচীন স্থাপনা এই অঞ্চলের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশৈলীকে তুলে ধরে।
কলমাকান্দা
কলমাকান্দা উপজেলা
আয়তন ৩৭৬.২২ বর্গ কি.মি. , ৮টি ইউনিয়ন
নাজিরপুরপোগলাবড়খাপনলেঙ্গুরাকৈলাটীরংছাতিখারনৈ
ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা কলমাকান্দা উপজেলাটি চাঁদ সওদাগরের ডিঙা ডুবির পৌরাণিক কাহিনির জন্য বিখ্যাত। ১৯৪১ সালে থানা এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় রূপান্তর লাভ করে। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই অঞ্চলে লেঙ্গুরা, নাজিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গারো, হাজং ও বানাই জনজাতির প্রাচীন বসবাস রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬শে জুলাই নাজিরপুর বাজারে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে হানাদার বাহিনীর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। অনেক প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই উপজেলায় রয়েছে সাত শহীদের মাজার ও পাঁচগাও যৌথ সংস্কৃতি। পাহাড়ি নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এই উপজেলাকে এক অনন্য পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে।
মদন
মদন উপজেলা
আয়তন ২৩৩.৩০ বর্গ কি.মি. , ৮টি ইউনিয়ন
কাইটাইলচানগাঁওমদনগোবিন্দশ্রীমাঘানতিয়শ্রীনায়েকপুরফতেপুর
১৮৪৫ সালে প্রশাসনিক প্রয়োজনে ফতেপুর থানায় রূপান্তরের প্রস্তাবনা থেকে মদনের যাত্রা শুরু হয়। ১৯১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। ঈসা খাঁর বংশধরদের নামানুসারে এই অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের নামকরণ হয়েছে। উচিতপুর হাওর মদনের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক আকর্ষণ, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এছাড়া নিয়মিত নৌকা বাইচ, ষাঁড়ের লড়াই এবং বাউল গানের আসর এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক প্রাণশক্তি। ইতিহাস ও হাওরের বৈচিত্র্যমণ্ডিত এই উপজেলাটি নেত্রকোণা জেলার অন্যতম সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক।
খালিয়াজুরী
খালিয়াজুরী উপজেলা
আয়তন ২৯৭.৬৩ বর্গ কি.মি. , ৬টি ইউনিয়ন
মেন্দিপুরচাকুয়াখালিয়াজুরীনগরকৃষ্ণপুরগাজীপুর
১৮৯৬ সালে পুলিশ ফাঁড়ি এবং পরবর্তীতে ১৯০৬ সালে থানা হিসেবে খালিয়াজুরীর প্রশাসনিক যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলা মর্যাদা পায়। ঐতিহাসিকভাবে এটি কামরূপ রাজ্যের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল এবং পরবর্তীতে ঈসা খাঁ ও বিভিন্ন জমিদারের শাসনাধীন ছিল। হাওর বেষ্টিত এই অঞ্চলটি নৌকা তৈরির দারু শিল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যেখানে শিল্পীরা কাঠের ওপর কারুকার্যময় নকশা করেন। জনবসতি ও পরগনা বদলের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও খালিয়াজুরী আজও তার নিজস্ব গ্রামীণ ও হাওর সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। জলপথের এই জনপদটি বাংলার নৌ-ঐতিহ্যের এক অনন্য ধারক হিসেবে বিবেচিত।
আটপাড়া
আটপাড়া উপজেলা
আয়তন ১৯২.৫১ বর্গ কি.মি. , ৭টি ইউনিয়ন
স্বরমুশিয়াশুনইলুনেশ্বরবানিয়াজানতেলিগাতীদুওজসুখারী
নেত্রকোণা জেলার আয়তনে সবচেয়ে ছোট উপজেলা আটপাড়া। বারো ভূঁইয়াদের শাসনামলে এটি ‘সরকার বাজুহা’র অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পরবর্তীতে ‘ব্রজের বাজার’ নামে পরিচিতি পায়। ১৯১৭ সালে পূর্ণাঙ্গ থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলা হিসেবে এর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। মুঘল স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে স্বরমুশিয়া-হরিপুর মসজিদ এখানকার ঐতিহ্যের ধারক। কৃষিপ্রধান এই জনপদে বাউল গান ও গ্রামীণ উৎসবের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত হলেও এর প্রতিটি জনপদ তার নিজস্ব ঐতিহ্যের মহিমায় ভাস্বর। ছোট আয়তনের হলেও আটপাড়া সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও পরিচিত।
মোহনগঞ্জ
মোহনগঞ্জ উপজেলা
আয়তন ২৪১.৯৯ বর্গ কি.মি. , ৭টি ইউনিয়ন
বড়কাশিয়া বিরামপুরবড়তলী বানিহারীতেতুলিয়ামাঘান সিয়াধারসমাজ সহিলদেওসুয়াইরগাগলাজুর
ভাটি বাংলার রাজধানীখ্যাত মোহনগঞ্জ একসময় সিংধা ও মৈমনসিংহ পরগনার অংশ ছিল। ইংরেজ শাসনামলে ১৯২০ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপ নেয় এবং ১৯৮২ সালে উপজেলায় উন্নীত হয়। জমিদার যুগল কিশোররায় চৌধুরীর বংশধারা এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়িক ও কৃষি প্রসারের মাধ্যমে অঞ্চলটি গুরুত্ব পায়। ডিঙ্গাপোতা হাওর, শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং মরমী বাউল সাধক উকিল মুন্সী স্মৃতি কেন্দ্র এখানকার প্রধান আকর্ষণ। বিভিন্ন পরগনার শাসনামল পেরিয়ে আসা এই উপজেলাটি হাওর অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। প্রথাগত কৃষিপ্রধান এলাকা হলেও বর্তমানে এটি সাংস্কৃতিক ও পর্যটনের ক্ষেত্রেও বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।
নেত্রকোণা সদর
নেত্রকোণা সদর উপজেলা
আয়তন ৩৪১.৭১ বর্গ কি.মি. , ১২টি ইউনিয়ন
মৌগাতিমেদনীঠাকুরাকোণাসিংহের বাংলাআমতলালক্ষ্মীগঞ্জকাইলাটিদক্ষিণ বিশিউরাচল্লিশাকালিয়ারা গাবরাগাতিমদনপুর
নেত্রকোণা সদর ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোণা জেলার একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক এলাকা। ১৮৭৪ সালে থানা হিসেবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। মগড়া নদীর তীরে অবস্থিত এই জনপদটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন কৃষক বিদ্রোহ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ১৯৩৯ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর আগমন ও ঐতিহাসিক কৃষক সভার সম্মেলন এই অঞ্চলের রাজনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে। ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই উপজেলাটি বাংলার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের ধারক। এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা আজও স্থানীয় ইতিহাসের অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছে।
বারহাট্টা
বারহাট্টা উপজেলা
আয়তন ২২০ বর্গ কি.মি. , ৭টি ইউনিয়ন
বাউসীসাহতাবারহাট্টাআসমাচিরামসিংধারায়পুর
কংশ নদের তীরে অবস্থিত বারহাট্টা উপজেলাটি ১৯০৬ সালে থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে মুঘল আমলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানে প্রাচীন স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর ধ্বংসলীলার শিকার হলেও ০৮ ডিসেম্বর এটি শত্রুমুক্ত হয়। অসংখ্য অকুতোভয় তরুণ দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং অনেকে শহীদ হন। ভৌগোলিকভাবে এই উপজেলাটি বিভিন্ন উপজেলা ও জেলার সীমান্তে অবস্থিত। কৃষি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি মুঘল আমলের স্মৃতিকথা বহনকারী এই অঞ্চলটি নেত্রকোণা জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সুপরিচিত।
কেন্দুয়া
কেন্দুয়া উপজেলা
আয়তন ৩০৩.৬০ বর্গ কি.মি. , ১৩টি ইউনিয়ন
কান্দিউড়াআশুজিয়াচিরাংমোজাফ্ফরপুররোয়াইলবাড়ী আমতলাগন্ডাসান্দিকোনাগড়াডোবামাসকাদল্পা (দলপা)বলাইশিমুলনওপাড়াপাইকুরা
ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলার সীমান্তে অবস্থিত কেন্দুয়া উপজেলা ঐতিহাসিকভাবে রোয়াইলবাড়ী দুর্গের জন্য বিখ্যাত। মুঘল আমলে এটি সরকার বাজুহার অংশ ছিল এবং ফার্সি ‘কান্দওয়া’ বা সবুজ ভূমি থেকে এর নামকরণ হয়। বাঈজীদের বসতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে এখানে জনবসতি গড়ে ওঠে। রোয়াইলবাড়ী দুর্গ, মসজিদ ও অট্টালিকার ধ্বংসাবশেষ এখানকার প্রাচীন ইতিহাস বহন করে। কেন্দুয়া অঞ্চলের মানুষ ও সংস্কৃতি পার্শ্ববর্তী তিন জেলার প্রভাবের এক মিশ্রণে গড়ে উঠেছে। ভৌগোলিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের কারণে কেন্দুয়া জেলাটির অন্যতম ঐতিহাসিক সমৃদ্ধ প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।
সোমেশ্বরী নদী ≈ ধনু নদী ≈ বাউলাই নদী ≈ ঘোড়াউতরা নদী ≈ নেতাই নদী ≈ পিয়াইন নদী ≈ মগড়া নদী ≈ কংস নদী ≈ ধলাই নদী ≈ বালই নদী ≈ গুমাই নদী ≈ সিনাই নদী ≈ মরা সুরমা নদী ≈ দামাখালী নদী ≈ লাউয়াড়ি ≈ গণেশ্বরী ≈ আত্রাইখালি ≈ কালীহর ≈ সাইডুলি ≈ ধুপিখালি ≈ সোমেশ্বরী নদী ≈ ধনু নদী ≈ বাউলাই নদী ≈ ঘোড়াউতরা নদী ≈ নেতাই নদী ≈ পিয়াইন নদী ≈ মগড়া নদী ≈ কংস নদী ≈ ধলাই নদী ≈ বালই নদী ≈ গুমাই নদী ≈ সিনাই নদী ≈ মরা সুরমা নদী ≈ দামাখালী নদী ≈ লাউয়াড়ি ≈ গণেশ্বরী ≈ আত্রাইখালি ≈ কালীহর ≈ সাইডুলি ≈ ধুপিখালি ≈

ঘুরে দেখুন
নৈসর্গিক নেত্রকোণা

চিনামাটির পাহাড়, সুনীল জলরাশি, প্রত্নতত্ত্বের ঐতিহ্য দেখুন আর হাওরের মাছ, বালিশ মিষ্টি কিংবা মন্টুর পান খেতে চলে আসুন নেত্রকোণায়!

ভ্রমণ গাইড
ভ্রমণ
গুণীজন

গুণীজন আর্কাইভ

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শতবর্ষী আলোকবর্তিকা নেত্রকোণার গুণীজনদের জীবনকাল, জন্মস্থান ও তাঁদের বর্ণিল কর্মজীবন

এখন দেখুন

নেত্রকোণার জিআই পণ্য (GI)

বিজয়পুরের চিনামাটি (২০২১)

চিনামাটি

২০২১ সালে বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়, চিনামাটি (কেওলিন) সিরামিক ও কাচ শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বালিশ মিষ্টি (২০২৫)

বালিশ মিষ্টি

২০২৫ সালে বালিশ মিষ্টি এই স্বীকৃতি পায়, দুধের ছানা, চিনি ও ময়দা মিশিয়ে তৈরী এই বড় মিষ্টি দেখতে কোলবালিশের মতো হওয়ায় এর নাম বালিশ মিষ্টি।

যা কিছু আমাদের

এ অঞ্চলের প্রতিটি উপাদান মিশে আছে আমাদের প্রতিদিনে সেই সকল প্রতিষ্ঠান আর উপাদান

দেখুন

নির্বাচিত নিবন্ধ

ইতিহাস, সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্য ও সমসাময়িক বিষয়ের নির্বাচিত বিশ্লেষণ ও গবেষণামূলক লেখা নিয়ে সমৃদ্ধ ব্লগ সংগ্রহশালা

লেখা পড়ুন

নেত্রকোণার প্রবাদ প্রবচন

"চান্দের লাইগ্যা হেন্দেও ছেলাম পায়।"

ভাবার্থ: ক্ষমতার কারণে একজন খারাপ মানুষও সম্মান পায়।

"মুখের দুষে মাইর গলে, এই মাইর পথে পথে পড়ে।"

ভাবার্থ: স্বভাবের কারণে ফলভোগ।

"পরের কথায় লাত্তি চড়, নিজের কথায় ভাত কাপড়।"

ভাবার্থ: পরের চর্চায় কেবল ঝগড়া-বিবাদ, নিজের চর্চায় চললে কর্ম সংস্থান হয়।

"কাউয়্যার বাসায় কুলিরচাও, জাত বিদ্যায় করে রাও।"

ভাবার্থ: যে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, জাতীয় স্বভাব তার পরিবর্তন হয় না।

আরও পড়ুন প্রবাদ চিত্র

আমার দেখা নেত্রকোণা

আমাদের পূর্বপুরুষরা এই নেত্রকোণাকে যেভাবে দেখেছেন আমরা দেখেছি ভিন্ন ভাবে, পরবর্তী প্রজন্ম দেখবে অন্য এক নেত্রকোণা। আপনার দেখা নেত্রকোণাকে তুলে ধরুন লেখায়-ছবিতে কিংবা ভিডিওতে।

"ভোরে উঠে স্কুল ড্রেস পরে আঞ্জুমানের সেই দিনগুলো আর ফিরবে না কখনো !"

শাকিল

"জীবন স্যারের নিউটাউনের বড়পুকুর পাড়ের বিকেল গুলো যদি ফেরত আবার পেতাম !"

তৃপা

"কবির মামার চা, বন্ধুদের সেই আড্ডায় কত প্ল্যান আজ ব্যস্ততার ভিড়ে হারিয়ে গেছে !"

নীরব

"স্টেশনের আড্ডা আর প্রাইভেট এর পর রেল লাইন ধরে হাঁটিতে থাকার সেই মুহূর্তরা আজ প্রবাসে !"

নোমান

"চল্লিশা পার হতে হতেই এক প্রশান্তির বাতাস গায়ে লাগতে থাকে নেত্রকোণার বাতাস ভিন্ন !"

শাপলা

Quote

নেত্রকোণার আঞ্চলিক প্রবাদ-প্রবচন যে জাতির পুরাতত্ত্ব নেই, সে জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ…

আরও পোস্ট লোড করুন
কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি