-

জানি নেত্রকোণাকে গভীরে

ঝরনার জল গড়ানো মেঘে ঢাকা সবুজ পাঁচগাঁও, সাদা চিনামাটির বিরিশিরি, সুনীল জলরাশির হাওর ঘেরা খালিয়াজুরি-মদন কিংবা কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ির প্রত্নতত্ত্ব। বয়ে চলা মগড়া, কংস ও সোমেশ্বরীর উর্বর পলির সাথে মিশে থাকা লোকসাহিত্য, সংগীত আর সংগ্রাম। ভিন্ন ধর্মে, ভিন্ন জাতিতে, সোনার মানুষে সমৃদ্ধ নেত্রকোণাকে তুলে ধরার প্রয়াস সুবর্ণনেত্র

পাঁচগাঁও
পাঁচগাঁও · কলমাকান্দা
বিরিশিরি
বিরিশিরি · দুর্গাপুর
ডিঙাপোতা হাওর
ডিঙাপোতা হাওর
সোমেশ্বরী নদী
সোমেশ্বরী নদী
সাত শহীদের মাজার
সাত শহীদের মাজার
দুর্গাপুর
দুর্গাপুর
বিরিশিরি পাহাড়
বিরিশিরি পাহাড়
লাল শাপলার বিল
লাল শাপলার বিল
পাঁচগাঁও · কলমাকান্দা
বিরিশিরি · দুর্গাপুর
ডিঙাপোতা হাওর
সোমেশ্বরী নদী
দুর্গাপুর
হাওর দৃশ্য
লাল শাপলার বিল
এক পলকে

এক নজরে নেত্রকোণা

জানুন নেত্রকোণার সমৃদ্ধ ইতিহাস, অপরূপ সৌন্দর্য ও আলোকিত গুণীজনদের।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য
রোয়াইলবাড়ি দুর্গ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি — নেত্রকোণার ইতিহাস বহু স্তরে বিন্যস্ত। সুলতানি আমলের স্থাপত্য, লোকগানের ঐতিহ্য, হাজং-গারো-বাঙালির সম্মিলিত সংস্কৃতি এই জনপদকে করেছে বিশেষ।
বিস্তারিত পড়ুন →
দর্শনীয় স্থান
বিরিশিরির চিনামাটির পাহাড়, ডিঙাপোতা হাওর, সোমেশ্বরী নদীর স্বচ্ছ জল, কমলারানীর দীঘি — প্রতিটি গন্তব্য এক ভিন্ন গল্প বলে।
ট্যুর গাইড দেখুন →
নেত্রকোণার গুণীজন
নির্মলেন্দু গুণ, হেমাঙ্গ বিশ্বাস, রশীদ উদ্দিন, উকিল মুন্সী — এই মাটির সন্তানরা বাংলা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন।
গুণীজনদের জানুন →
জেলার মানচিত্র

উপজেলাসমূহ

নেত্রকোণা জেলা ১০টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা, ৮৬টি ইউনিয়ন এবং ২,২৮২টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

১০
উপজেলা
৫টি
পৌরসভা
৮৬টি
ইউনিয়ন
২,২৮২
গ্রাম
৫টি
সংসদীয় আসন
নেত্রকোণা সদর
নেত্রকোণা সদর
আয়তন ৩৪১.৭১ বর্গ কি.মি.১২টি ইউনিয়ন
নেত্রকোণা সদর ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোণা জেলার একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক এলাকা। ১৮৭৪ সালে থানা হিসেবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। মগড়া নদীর তীরে অবস্থিত এই জনপদটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন কৃষক বিদ্রোহ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ১৯৩৯ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর আগমন ও ঐতিহাসিক কৃষক সভার সম্মেলন এই অঞ্চলের রাজনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে। ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই উপজেলাটি বাংলার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের ধারক। এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা আজও স্থানীয় ইতিহাসের অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছে।
দুর্গাপুর
দুর্গাপুর
আয়তন ২৭৯.২৮ বর্গ কি.মি.৭টি ইউনিয়ন
সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত দুর্গাপুর বা সুসঙ্গ দুর্গাপুর ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ১২৮০ খ্রিষ্টাব্দে সোমেশ্বর পাঠকের হাত ধরে এই সামন্ততান্ত্রিক রাজ্যের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ব্রিটিশ আমলে হাজং বিদ্রোহ ও টঙ্ক আন্দোলনের মতো ঐতিহাসিক সংগ্রামের সাক্ষী এই জনপদ। এখানকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি, বিজয়পুরের সাদামাটি পাহাড় এবং বিরিশিরি সোমেশ্বরী নদী পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই উপজেলাটি সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। এছাড়া রঘুনাথ সিংহের আমলের দশভূজা মন্দিরসহ বহু প্রাচীন স্থাপনা এই অঞ্চলের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশৈলীকে তুলে ধরে।
কেন্দুয়া
কেন্দুয়া
আয়তন ৩০৩.৬০ বর্গ কি.মি.১৩টি ইউনিয়ন
ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলার সীমান্তে অবস্থিত কেন্দুয়া উপজেলা ঐতিহাসিকভাবে রোয়াইলবাড়ী দুর্গের জন্য বিখ্যাত। মুঘল আমলে এটি সরকার বাজুহার অংশ ছিল এবং ফার্সি ‘কান্দওয়া’ বা সবুজ ভূমি থেকে এর নামকরণ হয়। বাঈজীদের বসতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে এখানে জনবসতি গড়ে ওঠে। রোয়াইলবাড়ী দুর্গ, মসজিদ ও অট্টালিকার ধ্বংসাবশেষ এখানকার প্রাচীন ইতিহাস বহন করে। কেন্দুয়া অঞ্চলের মানুষ ও সংস্কৃতি পার্শ্ববর্তী তিন জেলার প্রভাবের এক মিশ্রণে গড়ে উঠেছে। ভৌগোলিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের কারণে কেন্দুয়া জেলাটির অন্যতম ঐতিহাসিক সমৃদ্ধ প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।
মোহনগঞ্জ
মোহনগঞ্জ
আয়তন ২৪১.৯৯ বর্গ কি.মি.৭টি ইউনিয়ন
ভাটি বাংলার রাজধানীখ্যাত মোহনগঞ্জ একসময় সিংধা ও মৈমনসিংহ পরগনার অংশ ছিল। ইংরেজ শাসনামলে ১৯২০ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপ নেয় এবং ১৯৮২ সালে উপজেলায় উন্নীত হয়। জমিদার যুগল কিশোররায় চৌধুরীর বংশধারা এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়িক ও কৃষি প্রসারের মাধ্যমে অঞ্চলটি গুরুত্ব পায়। ডিঙ্গাপোতা হাওর, শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং মরমী বাউল সাধক উকিল মুন্সী স্মৃতি কেন্দ্র এখানকার প্রধান আকর্ষণ। বিভিন্ন পরগনার শাসনামল পেরিয়ে আসা এই উপজেলাটি হাওর অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। প্রথাগত কৃষিপ্রধান এলাকা হলেও বর্তমানে এটি সাংস্কৃতিক ও পর্যটনের ক্ষেত্রেও বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।
খালিয়াজুরী
খালিয়াজুরী
আয়তন ২৯৭.৬৩ বর্গ কি.মি.৬টি ইউনিয়ন
১৮৯৬ সালে পুলিশ ফাঁড়ি এবং পরবর্তীতে ১৯০৬ সালে থানা হিসেবে খালিয়াজুরীর প্রশাসনিক যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলা মর্যাদা পায়। ঐতিহাসিকভাবে এটি কামরূপ রাজ্যের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল এবং পরবর্তীতে ঈসা খাঁ ও বিভিন্ন জমিদারের শাসনাধীন ছিল। হাওর বেষ্টিত এই অঞ্চলটি নৌকা তৈরির দারু শিল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যেখানে শিল্পীরা কাঠের ওপর কারুকার্যময় নকশা করেন। জনবসতি ও পরগনা বদলের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও খালিয়াজুরী আজও তার নিজস্ব গ্রামীণ ও হাওর সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। জলপথের এই জনপদটি বাংলার নৌ-ঐতিহ্যের এক অনন্য ধারক হিসেবে বিবেচিত।
কলমাকান্দা
কলমাকান্দা
আয়তন ৩৭৬.২২ বর্গ কি.মি.৮টি ইউনিয়ন
ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা কলমাকান্দা উপজেলাটি চাঁদ সওদাগরের ডিঙা ডুবির পৌরাণিক কাহিনির জন্য বিখ্যাত। ১৯৪১ সালে থানা এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় রূপান্তর লাভ করে। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই অঞ্চলে লেঙ্গুরা, নাজিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গারো, হাজং ও বানাই জনজাতির প্রাচীন বসবাস রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬শে জুলাই নাজিরপুর বাজারে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে হানাদার বাহিনীর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। অনেক প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই উপজেলায় রয়েছে সাত শহীদের মাজার ও পাঁচগাও যৌথ সংস্কৃতি। পাহাড়ি নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এই উপজেলাকে এক অনন্য পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে।
মদন
মদন
আয়তন ২৩৩.৩০ বর্গ কি.মি.৮টি ইউনিয়ন
১৮৪৫ সালে প্রশাসনিক প্রয়োজনে ফতেপুর থানায় রূপান্তরের প্রস্তাবনা থেকে মদনের যাত্রা শুরু হয়। ১৯১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। ঈসা খাঁর বংশধরদের নামানুসারে এই অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের নামকরণ হয়েছে। উচিতপুর হাওর মদনের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক আকর্ষণ, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এছাড়া নিয়মিত নৌকা বাইচ, ষাঁড়ের লড়াই এবং বাউল গানের আসর এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক প্রাণশক্তি। ইতিহাস ও হাওরের বৈচিত্র্যমণ্ডিত এই উপজেলাটি নেত্রকোণা জেলার অন্যতম সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক।
পূর্বধলা
পূর্বধলা
আয়তন ৩০৮.০৪ বর্গ কি.মি.১১টি ইউনিয়ন
সুসঙ্গ দুর্গাপুর ও নেত্রকোণা সদর থানার অংশ থেকে ১৯১৭ সালে পূর্বধলা একটি পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তরিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি দুর্গাপুর, ধোবাউড়া ও গৌরীপুরের মাঝে অবস্থিত। ব্রিটিশ শাসনামলে নির্মিত বড়বাড়ি সংলগ্ন ঐতিহাসিক মসজিদটি এখানে মুঘল ও ব্রিটিশ স্থাপত্যের সংমিশ্রণ প্রকাশ করে। রাজধলা বিল এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম উৎস। যদিও প্রশাসনিকভাবে এটি দীর্ঘ সময় অন্য থানার অধীনে ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে স্বতন্ত্র থানা ও উপজেলার মর্যাদা পেয়ে স্থানীয় উন্নয়নে গতিশীলতা আসে। শান্ত ও প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এই উপজেলাটি কৃষি ও স্থানীয় গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ বহন করে।
বারহাট্টা
বারহাট্টা
আয়তন ২২০ বর্গ কি.মি.৭টি ইউনিয়ন
কংশ নদের তীরে অবস্থিত বারহাট্টা উপজেলাটি ১৯০৬ সালে থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে মুঘল আমলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানে প্রাচীন স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর ধ্বংসলীলার শিকার হলেও ০৮ ডিসেম্বর এটি শত্রুমুক্ত হয়। অসংখ্য অকুতোভয় তরুণ দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং অনেকে শহীদ হন। ভৌগোলিকভাবে এই উপজেলাটি বিভিন্ন উপজেলা ও জেলার সীমান্তে অবস্থিত। কৃষি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি মুঘল আমলের স্মৃতিকথা বহনকারী এই অঞ্চলটি নেত্রকোণা জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সুপরিচিত।
আটপাড়া
আটপাড়া
আয়তন ১৯২.৫১ বর্গ কি.মি.৭টি ইউনিয়ন
নেত্রকোণা জেলার আয়তনে সবচেয়ে ছোট উপজেলা আটপাড়া। বারো ভূঁইয়াদের শাসনামলে এটি ‘সরকার বাজুহা’র অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পরবর্তীতে ‘ব্রজের বাজার’ নামে পরিচিতি পায়। ১৯১৭ সালে পূর্ণাঙ্গ থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলা হিসেবে এর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। মুঘল স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে স্বরমুশিয়া-হরিপুর মসজিদ এখানকার ঐতিহ্যের ধারক। কৃষিপ্রধান এই জনপদে বাউল গান ও গ্রামীণ উৎসবের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত হলেও এর প্রতিটি জনপদ তার নিজস্ব ঐতিহ্যের মহিমায় ভাস্বর। ছোট আয়তনের হলেও আটপাড়া সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও পরিচিত।
নেত্রকোণার লোকপ্রবাদ
যে দেশে গুণীর কদর নাই, সে দেশে গুণী জন্মায় না।
যে সমাজ গুণী মানুষকে সম্মান না দেয়, সেখানে প্রতিভার বিকাশ ঘটে না।
বিষয়ভিত্তিক

বিভিন্ন বিভাগ

সংস্কৃতি, ইতিহাস ও জীবনের প্রতিটি ধারাকে আলাদাভাবে অন্বেষণ করুন।

মগড়া নদী    ·    কংস নদী    ·    সোমেশ্বরী নদী    ·    ধনু নদী    ·    বাউলাই নদী    ·    ঘোড়াউৎরা নদী    ·    নেতাই নদী    ·    পিয়াইন নদী         
মগড়া নদী    ·    কংস নদী    ·    সোমেশ্বরী নদী    ·    ধনু নদী    ·    বাউলাই নদী    ·    ঘোড়াউৎরা নদী    ·    নেতাই নদী    ·    পিয়াইন নদী         
লেখা

স্মৃতিতে নেত্রকোণা

যাঁরা এই মাটি ভালোবেসেছেন, তাঁদের লেখায় ধরা আছে নেত্রকোণার আত্মা।

"
মগড়ার পাড়ে দাঁড়িয়ে যখন সন্ধ্যার আলো নিভে আসে, তখন মনে হয় সময় থেমে গেছে। এই নদী, এই মাটি — সব কিছু যেন চেনা, অথচ রোজ নতুন।
নির্মলেন্দু গুণ
কবি ও লেখক, কেন্দুয়া
"
বিরিশিরির সাদা মাটি আমাকে সবসময় টেনেছে। এখানকার মানুষের মুখে লেগে থাকা হাসি, পাহাড়ের গায়ে ছড়িয়ে থাকা সবুজ — এ এক অন্য জগৎ।
হেমাঙ্গ বিশ্বাস
গণসংগীত শিল্পী
"
হাওরের বুকে নৌকায় ভাসতে ভাসতে বুঝলাম — প্রকৃতি এখানে মানুষকে নয়, মানুষ প্রকৃতিকে ধারণ করে বেঁচে থাকে।
রশীদ হায়দার
কথাসাহিত্যিক
"
রোয়াইলবাড়ির ভাঙা দুর্গে দাঁড়িয়ে ইতিহাসের ভার অনুভব করলাম। কত রাজা, কত যুদ্ধ, কত হাসি-কান্না এই মাটিতে মিশে গেছে।
মুস্তফা নূরউল ইসলাম
ইতিহাসবিদ
"
সোমেশ্বরী নদীতে পা ডুবিয়ে বসে থাকতাম ছোটবেলায়। নদীর কলতানে মনে হত পৃথিবীর সব সুর এই জলে মিশে গেছে।
দুলু মিয়া
লোককবি, দুর্গাপুর
পাঠ তালিকা

নেত্রকোণা জেলাকে জানতে

এই গ্রন্থগুলো নেত্রকোণাকে জানার দরজা খুলে দেবে।

আপনার অবদান

আমাদের সংগ্রহে আপনার অবদান রাখুন

নেত্রকোণার ছবি, স্মৃতি, লোকগান, প্রবাদ, ইতিহাস বা যেকোনো তথ্য আপনার কাছে থাকলে আমাদের সাথে ভাগ করুন।

তথ্য পাঠান →
ছবি · লেখা · অডিও · ভিডিও · মানচিত্র · দলিল
আরও পোস্ট লোড করুন
কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি