প্রতিটি শিশুর মনে নেত্রকোণা আলাদা — তাদের তুলিতে, কলমে, আর ছোট্ট মনের বড় কথায়। এখানে আছে তাদের আঁকা ছবি, লেখা কবিতা, রচনা আর নেত্রকোণাকে নিয়ে তাদের অনুভূতি।
আঁকা ছবি ও হাতের লেখা
শিশুরা যা বলে
আমাদের নেত্রকোণায় অনেক নদী আছে। বর্ষায় পানি আসে, মাঠ ডুবে যায়। আমি নৌকায় চড়ি। আমার নেত্রকোণা সবচেয়ে সুন্দর।
আমাদের স্কুলের পাশে মগড়া নদী। রোজ দেখি। নদীতে মাছ ধরে জেলেরা। আমিও একদিন মাছ ধরব।
বিরিশিরি গিয়েছিলাম। সাদা পাহাড় দেখে মনে হয়েছিল তুষার পড়েছে। বাংলাদেশে এত সুন্দর জায়গা আছে!!
হাওরে নৌকায় চড়েছি। আকাশ আর পানি মিলে গেছে। মনে হয়েছে আমি মেঘের মধ্যে ভাসছি।
সোমেশ্বরীর পানি অনেক ঠান্ডা। আমি পা দিয়েছিলাম। মাছ দেখা যায়। আম্মু বলেছে এই নদী পাহাড় থেকে আসে।
আমার নেত্রকোণায় গারো মানুষ থাকে। তাদের পোশাক অনেক সুন্দর। তাদের নাচ দেখেছি মেলায়।
রচনা ও ছোট লেখা
নেত্রকোণা আমার প্রিয় জেলা। এখানে অনেক নদী আছে, অনেক হাওর আছে। বর্ষাকালে হাওরে পানি আসে আর সবকিছু ভেসে যায়। কিন্তু মানুষ তবুও হাসিমুখে থাকে...
গত বছর আব্বুর সাথে খালিয়াজুরী গিয়েছিলাম। নৌকায় চড়লাম। চারদিকে শুধু পানি। মনে হলো সমুদ্রে এসেছি। আকাশ আর পানি একসাথে মিলে গেছে...
দুর্গাপুরে মামার বাড়ি। সেখানে সোমেশ্বরী নদী আছে। পানি এতটাই পরিষ্কার যে নিচের পাথর দেখা যায়। দাদা বলেছেন এই নদীতে একসময় মহাশোল মাছ পাওয়া যেত...
আমাদের মোহনগঞ্জ অনেক সুন্দর। শীতকালে মাঠে সবুজ ধান থাকে। বর্ষায় পানি আসে। আমার দাদা জেলে। নৌকায় মাছ ধরেন। আমিও একদিন জেলে হব...
কবিতা
ভোরবেলা উঠে দেখি জলের ছবি।
নৌকা ভাসে, মাছ খেলে জলে,
আমার নদী কথা বলে।
দেখলে মন হয় উদার।
নীল আকাশ সাদা মাটি,
স্বপ্নের মতো এই বাটি।
নৌকা চলে সারাবেলা।
আকাশ পানিতে মিলে যায়,
মন আমার উড়ে যায়।
নেত্রকোণাকে নিয়ে আপনার শিশুর আঁকা ছবি, হাতের লেখা, কবিতা বা রচনা সুবর্ণনেত্রে যুক্ত করুন।