উচিতপুর হাওর ভ্রমণ

উচিতপুর হাওর, মদন, নেত্রকোণা - "মিনি কক্সবাজার" নামে পরিচিত বর্ষার ডুবন্ত সড়ক, বিস্তীর্ণ জলরাশি আর সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্যের হাওর।
ছবি: শরীফ
ছবি: আব্দুল্লাহ বাপ্পী মজুমদার
ছবি: আব্দুল্লাহ বাপ্পী মজুমদার

নেত্রকোণার মদন উপজেলার উচিতপুর হাওর বর্ষায় রূপান্তরিত হয় এক স্বপ্নময় জলভূমিতে। চারদিক পানিতে টইটম্বুর, মাঝে মাঝে দ্বীপের মতো ভাসমান ছোট গ্রাম, আর দিগন্তজুড়ে ঢেউয়ের খেলা - এই হাওরকে স্থানীয়রা ভালোবেসে ডাকে "মিনি কক্সবাজার"।

ডুবন্ত সড়ক - এক অনন্য অভিজ্ঞতা

উচিতপুর হাওরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ ডুবন্ত সড়ক। বর্ষায় পিচঢালা এই রাস্তা পানির নিচে চলে যায়, হাঁটু পর্যন্ত পানিতে হেঁটে যাওয়ার সেই অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা। দুই পাশে শুধু জল, দূরে দ্বীপের মতো গ্রাম - মনে হয় সমুদ্রের বুকে হাঁটছেন।

উচিতপুর হাওরের ভিডিও দেখুন

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত

পানির উপর দাঁড়িয়ে সূর্য ওঠা বা ডোবার দৃশ্য দেখা - এই অভিজ্ঞতা উচিতপুরকে অন্য সব হাওর থেকে আলাদা করে। পুরো আকাশ আর জলরাশি একসাথে রাঙিয়ে ওঠে কমলা-সোনালি রঙে, ফটোগ্রাফারদের জন্য এটি একটি আদর্শ মুহূর্ত।

সেরা সময় কখন যাবেন

জ্যৈষ্ঠ থেকে আশ্বিন (মে–অক্টোবর) - এই সময়ে হাওর পানিতে পরিপূর্ণ থাকে। বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে ডুবন্ত সড়ক, ঢেউ ও নৌভ্রমণের পূর্ণ অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

যেভাবে যাবেন

ঢাকার মহাখালী থেকে নেত্রকোণা বা মদনগামী বাসে মদন বাসস্ট্যান্ড। মদন বাসস্ট্যান্ড থেকে অটো বা রিকশায় মদন উপজেলা, সেখান থেকে সিএনজিতে উচিতপুর ঘাট। ঘাট থেকে নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করুন - ঘণ্টাভিত্তিক ভাড়া, আগেই দরদাম করে নিন।

ভ্রমণ টিপস

হালকা পোশাক ও পানিতে চলার উপযোগী স্যান্ডেল পরুন। মোবাইল ও ক্যামেরার জন্য ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ নিন। রোদের জন্য ছাতা বা ক্যাপ রাখুন। প্রকৃতির সৌন্দর্য রক্ষায় ময়লা সঙ্গে নিয়ে ফিরুন।

নেত্রকোণা ভ্রমণের গল্প, ছবি আর ট্যুর গাইড

আপনার অভিজ্ঞতা, ছবি, ভিডিও তথ্যে সমৃদ্ধ হবে সুবর্ণনেত্র

জমা দিন →
নবীনতর পূর্বতন