সোমেশ্বরী নদী

মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে আসা টলটলে স্বচ্ছ সোমেশ্বরী নদী। দুর্গাপুর, নেত্রকোণার সেরা প্রাকৃতিক আকর্ষণ ও ভ্রমণ তথ্য।
ছবি: শাকিল আমিন
ছবি: দ্বীপ সরকার
ছবি: নাহিদ হোসাইন

পাহাড়, নদী, গাছ-গাছালি আর আদিবাসী মানুষের জীবন - সব মিলিয়ে নেত্রকোণার দুর্গাপুর এক অন্যরকম জায়গা। আর এই দুর্গাপুরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো সোমেশ্বরী নদী - টলটলে স্বচ্ছ জল, পাথুরে তল আর দুই পাশে সবুজ পাহাড়ের সারি নিয়ে বয়ে চলা এক অসাধারণ নদী।

সোমেশ্বরী নদীর পরিচয়

সোমেশ্বরী নদী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড়ের অভ্যন্তরে সীমসাংগ্রী বা সমসাংগা নামক স্থান থেকে উৎপন্ন হয়ে বাঘমারা বাজারের পাশ দিয়ে দুর্গাপুরে প্রবেশ করেছে। রানিখং পাহাড়ের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে দুর্গাপুরের বুক চিরে বয়ে গেছে এই নদী।

সীমসাংগ্রী থেকে উৎপন্ন বলে নদীর নাম সোমেশ্বরী - এমনটাই বলা হয়। আবার জনশ্রুতি আছে, সোমেশ্বর পাঠক নামে এক সিদ্ধপুরুষের নাম থেকেই এই নামকরণ। একেক ঋতুতে এ নদীর সৌন্দর্য একেক রকম - তবে সারা বছরই জল থাকে টলটলে স্বচ্ছ।

শীতকালে পানি কম থাকলে হাঁটু পানিতে নেমে হাঁটাহাঁটির অনুভূতিটা দুর্দান্ত। পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্বচ্ছ জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকাটা মনে রাখার মতো একটা অভিজ্ঞতা।

ভিডিও কার্টেসি: ভ্রমণ গাইড

আশেপাশে কী দেখবেন

সুসং দুর্গাপুর বাজার থেকে অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে সোমেশ্বরী নদী পার হয়ে একদিনেই ঘুরে আসতে পারবেন বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থান: বিজয়পুর চিনামাটির পাহাড় ও গোলাপী পাহাড়, নীল ও সবুজ পানির লেক,রানিখং চার্চ ও রানিখং পাহাড়,মুক্তিযুদ্ধকালীন ট্রেনিং পিলার।

সারাদিনের জন্য রিকশা ভাড়া পড়বে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। মোটরসাইকেল ভাড়া পাওয়া যাবে তালুকদার প্লাজা ও অগ্রণী ব্যাংকের সামনে থেকে।

যেভাবে যাবেন

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সুসং দুর্গাপুরের সরাসরি বাস - ভাড়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। বাস সরাসরি দুর্গাপুর বাস স্ট্যান্ডে নামাবে।

কোথায় খাবেন

দুর্গাপুরে নিরালা হোটেল সবচেয়ে পরিচিত। এছাড়া আরও কয়েকটি ছোট হোটেল আছে। পরোটা আর ডিম দিয়ে সকালের নাস্তা এখানকার জনপ্রিয় অভিজ্ঞতা।

নেত্রকোণা ভ্রমণের গল্প, ছবি আর ট্যুর গাইড

আপনার অভিজ্ঞতা, ছবি, ভিডিও তথ্যে সমৃদ্ধ হবে সুবর্ণনেত্র

জমা দিন

পাঠানো তথ্য ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে প্রকাশ করা হবে।

নবীনতর পূর্বতন